৩৮ তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফাইনাল সাজেশন্স বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র (সংক্ষিপ্ত)

বাংলা ১মপত্র
=========
শব্দগঠন :
========
বাংলা ভাষায় বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় শব্দ গঠন হয়। সমাসের সাহায্যে, উপসর্গ ব্যবহার করে, সন্ধির মাধ্যমে, প্রত্যয়যোগে, দ্বিরুক্ত শব্দের সাহায্যে নতুন শব্দ গঠন করা যায়। ৩৮তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় আসার মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিম্নে দেওয়া হলো :
ক. বহুব্রীহি সমাস কাকে বলে? বহুব্রীহি সমাস কয় প্রকার ও কী কী? প্রত্যেক প্রকার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণসহ সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
খ. উপসর্গ বলতে আপনি কী বোঝ? বিভিন্ন প্রকার উপসর্গের পরিচয় দাও।

সবার আগে আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন

বাংলা বানানের নিয়ম :
===============
বাংলা একাডেমী প্রণীত (১৯৯২) প্রমিত বাংলা বানানের কয়েকটি নিয়ম উল্লেখ করা হলো।
ক. তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃত ই-কার ও ঈ-কার এবং উ-কার ও ঊ-কার। উভয়ই শুদ্ধ হিসেবে গ্রহণ করেছে। সে বানানগুলোতে শুধু ই-কার এবং উ-কার ব্যবহৃত হবে। যেমন : সংস্কৃতে পদবী ও পদবি দুটোই শুদ্ধ বানান। এক্ষেত্রে বাংলায় পদবি গ্রহণ করা হবে। আবার সংস্কৃতিতে ঊর্ণা ও উর্ণা দুটোই শুদ্ধ বানান। বাংলায় উর্ণা শব্দটি গ্রহণ করেছে।

খ. তৎসম বানানে ষ-ত্ব বিধানের শুদ্ধতা রক্ষা করতে হবে। এছাড়া অন্য কোন শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত ষ-ত্ব প্রযোজ্য হবে না। যেমন : সাল, শহর, পোশাক, খ্রিষ্টান ইত্যাদি।
গ. তৎসম শব্দের বানানে ণ-ত্ব বিধানের শুদ্ধতা রক্ষা করতে হবে। অতৎসম শব্দে ‘ন’ হবে না। তার বদলে ‘ণ’ হবে। যেমন : সরণি, পণ্য, বাণিজ্য ইত্যাদি।
ঘ. ‘আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে। যেমন : রূপালি, মিতালি, বর্ণালি ইত্যাদি।
ঙ. সংস্কৃত বা তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে সর্বদা ঈ-কার হবে। যেমন : নারী, স্ত্রী, জননী ইত্যাদি।
বাক্যশুদ্ধি :

প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ
=============
ক. অশুদ্ধ- আজকাল বিদ্বান মেয়ের অভাব নেই।
শুদ্ধ- আজকাল বিদুষী মেয়ের অভাব নেই।
খ. অশুদ্ধ- শুধুমাত্র গায়ের জোরে কাপ হয় না।
শুদ্ধ- শুধু গায়ের জোরে কাপ হয় না।
গ. অশুদ্ধ- সকল সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন।
শুদ্ধ- সভ্যগণ এখানে উপস্থিত ছিলেন।

ঘ. অশুদ্ধ- আমার আর বাঁচিবার স্বাদ নেই।
শুদ্ধ- আমার আর বাঁচার সাধ নেই।
ঙ. অশুদ্ধ- সর্ব বিষয়ে বাহুল্যতা বর্জন করিবে।
শুদ্ধ- সর্ব বিষয়ে বাহুল্য বর্জন করিবে।
প্রবাদ – প্রবচনের নিহিতার্থ প্রকাশ
========================
ক. অক্ষয় বট — প্রাচীন / বয়স্ক ব্যক্তি
খ. অঞ্চলপ্রভাব — স্ত্রীর প্রভাব
গ) ইতুনিদকুঁড়ে – অলস
ঘ. কলমি কাপ্তেন — দরিদ্র কিন্তু বিলাসী
ঙ. গয়ংগচ্ছ — ঢিলেমি
বাক্য গঠন

=======
ক. যারা ভালো ছাত্র তার শিক্ষককে শ্রদ্ধা করে (সরল বাক্য)।
= ভালো ছাত্ররা শিক্ষককে শ্রদ্ধা করে।
খ. ভালোবাসার দানে কোনো অপমান নেই ( অস্তিবাচক)।
= ভালোবাসার দানে সম্মান আছে।
গ. ধনীরা প্রায়ই কৃপণ হয় (জটিল বাক্য)।
= যারা ধনী তারা কৃপণ হয়।

ঘ. আরও কথা আছে ( নেতিবাচক)
= কথা শেষ হয়নি।
ঙ. যিনি পরের উপকার করেন তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করে (সরল বাক্য)।
= পরোপকারিকে সবাই শ্রদ্ধা করে।
ভাব সম্প্রসারণ
==========
ক. পুষ্প আপনার জন্য ফোটে না।
খ. দশের লাঠি একের বোঝা।
গ. অন্যায় যে করে অন্যায় সে সহে, তব ঘৃণা তারে যেন তৃণসম দহে।
ঘ. যত মত ততো পথ।

ঙ. স্বাবলম্বন সর্বশ্রেষ্ঠ অবলম্বন।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যবিষয়ক প্রশ্নের উত্তর
=============================
ক. মঙ্গলকাব্যকে এ নাম দেয়ার কারণ কী?
খ. কবিগান বলতে কী বুঝায় ? কবিগানের আদিকবি কারা?
গ. চন্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা কে?
ঘ. ‘তোহফা’ কাব্যটি কে রচনা করেন? বাক্যটি কোন ভাষা থেকে অনুদিত?
ঙ. ‘যুগসন্ধির’ কবি কাকে বলা হয় কেন?
চ. বাংলা কাব্যের আদি নিদের্শন কী?
ছ) ‘নৌফল ও হাতেম’ কোন জাতীয় রচনা? গ্রন্থের রচয়িতার নাম কী?
জ. বাংলাদেশের দুজন অকালপ্রয়াত বিশিষ্ট কবির নাম লিখু?
ঝ. ‘নেমেসিস’ কোন শ্রেণির রচনা ? রচয়িতার নাম কী?
ঞ. নদী বক্ষে কার রচনা?

বাংলা দ্বিতীয় পত্র
===========
১. অনুবাদ (ইংরেজি থেকে বাংলা):
ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ এটা মুখস্থের বিষয় না কিংবা কমন পড়বে এই আশায় পরীক্ষায় হলে প্রস্তুতি নেওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। অনুবাদের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আমরা সবাই নিয়ম মেনে বেশি বেশি অনুবাদ চর্চা করবো।
২. কাল্পনিক সংলাপ :
=============
অনুবাদের মতো কাল্পনিক সংলাপ কমন পড়ার চিন্তা বাদ দিতে হবে। সংলাপের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম জানা থাকলে যে কোন বিষয়ের ওপর সংলাপ লিখতে বলা হলে আপনি সফল হবেন। তাই নিয়ম জেনে ও মেনে সংলাপের চর্চা করলে আর কমনের আশায় থাকতে হবে না।
৩. পত্রলিখন :

========
সম্পাদকের কাছে লেখা খোলা কলাম অথবা কর্তৃপক্ষের কাছে অবহিত ভাবে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দরখাস্ত লিখতে হবে। উভয় রকম পত্রলিখতে হলে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ওইসব নিয়ম পালন করে পত্র লিখলে যেকোন বিষয়ের ওপর পত্র লিখে সর্বোচ্চ মার্কস পাওয়া সম্ভব।
গ্রন্থ সমালোচনা
==========
ক. ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কাব্য নাট্যটির সমালোচনা করুন।
খ. হুমায়ূন আহমেদের একটি উপন্যাসের সমালোচনা করুন।
গ. জহির রায়হানের ‘বরফ গলা নদী’ উপন্যাসের সমালোচনা করুন।
ঘ. বাঙালির ইতিহাসনির্ভর একটি গ্রন্থের সমালোচনা করুন।
প্রবন্ধ রচনা

========
রোহিঙ্গা সমস্যা
তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
জলবায়ু পরিবর্তন ও মোকাবিলা
বাংলাদেশের পাট শিল্পের ভবিষ্যৎ
পদ্মা সেতু স্বপ্ন ও বাস্তবায়ন
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎপ্রকল্প

PDF ফাইল ডাউনলোড করতে নিচের ছবিতে ক্লিক করুন

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *